Tuesday, May 23, 2017

চুলের যত্নে আদিকাল থেকে পেঁয়াজের রস ব্যবহার হয়ে আসছে। নতুন চুল গজানো থেকে শুরু করে চুল পড়া রোধ করতে ব্যবহৃত হয় এই পেঁয়াজের রস। অনেকেই পেঁয়াজের রসের সঠিক ব্যবহার জানেন না। পেঁয়াজের রসের কার্যকরী কিছু ব্যবহার নিয়ে আজকের এই ফিচার।
 
১। পেঁয়াজের রস

- বিজ্ঞাপন -
একটি পেঁয়াজ কুচি করে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে রস বের করে নিন। পেঁয়াজের রসটি চুলে ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। এটি চুলে ৩০-৪৫ মিনিটে রাখুন। তারপর শ্যাম্পু করে ফেলুন। সপ্তাহে ৩ বার এটি ব্যবহার করুন। দুয়েক মাসের মধ্যে আপনি পরিবর্তন দেখতে পাবেন।

আপনার ব্লাড গ্রুপ কি A, B বা AB? তাহলে এখই সাবধান হউন!

আপনার ব্লাড গ্রুপ কি A, B বা AB? তাহলে এখই সাবধান হউন!

আপনার ব্লাড গ্রুপ কি A, B বা AB? তাহলে এখই সাবধান হউন! ১০ লাখের বেশি সংখ্যক মানুষের উপর করা একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যাঁদের ব্লাড গ্রুপ এ, বি অথবা এবি তাঁদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই বেশি। বিজ্ঞানীদের মত এ, বি অথবা এবি ব্লাড গ্রুপে বেশি পরিমাণে ব্লাড-ক্লটিং প্রোটিন থাকার ফলে হৃদরোগের শঙ্কা বেড়ে যায়।

নেদারল্যান্ডস-এর ইউনিভার্সিটি মেডিকাল সেন্টার গ্রনিনগেন-এর অধ্যাপক টেসা কোল জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে হৃদরোগের থেকে বাঁচতে হলে বিশেষ নজর দিতে হবে ব্লাড গ্রুপে।

হারিয়ে যাচ্ছে গরুর গাড়ি

ওঁকি গাড়িয়াল ভাই- কত রব আমি পন্থের পানে চাইয়া রে’- গ্রাম-বাংলার প্রাণপ্রিয় এই গানটি যেমন এখন আর শোনা যায় না, তেমনি গ্রাম-বাংলার একটি জনপ্রিয় যান গরুর গাড়িও এখন আর আগের মত চোখে পড়ে না। হারিয়ে যাচ্ছে গাড়িয়াল পেশাও। এখন আর গ্রাম-গঞ্জে আগের মতো চোখে পড়ে না গরুর গাড়ি। যা এক সময় উত্তর জনপদের বিভিন্ন উপজেলায় ঐতিহ্যবাহী গরুর গাড়ি বাহনের সরগরম অস্তিত্ব ছিল। ছিল সর্বত্র এই গরুর গাড়ির কদর। কি বিয়ে, কি অন্য কোন উৎসব- গরুর গাড়ি ছাড়া যেন কল্পনাই করা যেত না।

 
দিনাজপুরেও এক সময় গরুর গাড়ি চলত প্রতিনিয়ত। কিন্তু, এখন প্রত্যন্ত এই জনপদেও হারিয়ে যাচ্ছে গরুর গাড়ি। মাঝে-মধ্যে গ্রামাঞ্চলগুলোতে দু-একটি গরুর গাড়ি চোখে পড়ে। কিন্তু সেগুলোর অবস্থাও জরাজীর্ণ। তাহলে কি আধুনিক সভ্যতায় আমরা আমাদের ঐতিহ্যগুলো  হারিয়ে যেতে বসেছি? আজ শহরের ছেলে-মেয়েরা তো দূরের কথা, গ্রামের ছেলে-মেয়েরাও গরুর গাড়ি যানবাহনটির সাথে পরিচিত নয় খুব একটা। আগে অনেকেরই গরুর গাড়ি ছিল উপার্জনের একমাত্র অবলম্বন।
 মোবাইল ফোন টেলিযোগাযোগের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী আবিস্কার।নব্বই দশকের দিকে সীমিত পর্যায়ে এর ব্যবহার আমাদের দেশে শুরু হলেও মোবাইল ফোনের কার্যকারী উপযোগীতা কারনে আজতো দেশের প্রত্যান্ত অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়েছে। দৈন্যন্দিন কর্মকান্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবে দেশে লাখ লাখ মানুষ মোবাইল ফোনে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে। অথচ সভ্যতার এই বৈপ্লবিক প্রযুক্তির সুফল ভোগের পাশা পাশি আমরা যে এর বাইপ্রডাক্ট হিসাবে মারাতœক স্বাস্থ্য ঝুকিও বহন করে চলছে। সে বিষয়ে আমরা অনেকেই সচেতন নই।

বৈজ্ঞানিক গবেশনায় জানা গেছে, মোবাইল ফোন তেজস্ক্রিয়তা বিকিকরন করে।যা মানব দেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর ।মোবাইল ফোন ব্যবহার কালে এর মাইক্রোওয়েব দ্রুতগতিতে মস্তিস্কে আঘাত হানে।এর থেকে বিকিরিত তেজস্ক্রিয়তার কারণে মানব দেহের অন্যতম প্রয়োজনীয় উপাদান রক্তের লোহিত কনিকার প্রাচীর ক্ষয় হয়ে যায়।