Sunday, July 30, 2017
Friday, July 28, 2017
Monday, July 24, 2017
Sunday, July 23, 2017
টাঙ্গাইলের মধুপুরের উকিল সাইদুর রহমানের রাষ্টবিরোধী কার্যক্রম এলাকাবাসীর গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবী
ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইলের মধুপুরে নামধারী উকিল সাইদুর রহমানের বিরোদ্ধে রাষ্টবিরোধী কার্যক্রমের অভিযোগ তুলে গ্রেপ্তারের দাবী করছে এলাকাবাসী।
জানাযায়, উপজেলার শোলাকুড়ি ইউনিয়নের হরিনধরা গ্রামের রেহান আলীর ছেলে নামধারী
,গাজা,ফেন্সিডিল, ইয়াবার ব্যবস্যা করছে। প্রবাসে লোক নেওয়ার নাম করে দেশের বাইরে বিক্রি করে দেয়। আবার বিভিন্ন মহিলাদের কে দিয়ে রমরমা দেউকিল সাইদুর রহমান রাষ্টবিরোধী কার্যক্রম করায় এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হচ্ছে । তাই তার বিরোদ্ধে লিখিত পোষ্টার মধুপুর পৌর শহরের মধুপুর রাণী ভবানী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়,মধুপুর কলেজ গেইটে সহ বিভিন্ন স্কুল, কলেজের গেইটে রাস্তার গাছে ও বৈদ্যুতিক খুটির সাথে পেষ্টারিং লাগিয়ে এর মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে নামধারী উকিল সাইদুর এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছে।
লিখিত পোষ্টারে ও এলাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায় সাইদুর রহমান দীর্ঘদিন যাবৎ উকালতি পেশার পরিচয় দিয়ে হেরোইনহ ব্যবস্যা করে যাচ্ছে।
নামধারী উকিল সাইদুর অনেক মহিলা ও কলেজ পড়ুয়া ছাত্রীদের সাথে অবৈধ যৌন সম্পর্ক করে অনেকের সংসার জীবন নষ্ট করেছে বলে এলাকাবাসী আভিযোগ করেন।
এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে সাইদুর তার মামাতো ভাই ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার কামারিয়ার আক্রাম হোসেন এর স্ত্রী গ্রাম্য সাস্থ্যকর্মী নূরজাহান বেগম এর স্বামী বিদেশে থাকায় সাইদুর তার সাথে পরকীয়া সম্পর্ক করেন।এই সম্পর্কের সুবাধে তাকে দিয়ে সকল অনৈক কর্মকান্ড করায়।
স্থানীয় সূত্রে ও পোষ্টারের লেখা থেকে জানা যায়, আবৈধ যৌন মিলিন করার সময় মুক্তাগাছার কোন এক বাড়ীতে হেরোইন ও ইয়াবা সহ ঐ এলাকার কয়েক ব্যাক্তি হাতেনাতে ধরে ফেলে টাকার বিনিময়ে ছেড়ে আসে।
এলাকার কযেক সচেতন ব্যাক্তি ক্যামার সামনে না এসে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা জানায়, সাইদুর রহমান একজন দালাল ও ইয়াবা ব্যবসায়ী আমাদের এলাকাটি পাহাড়ি অন্চল থাকায় পুলিশ প্রশাসনের নজরদারি কম। তাই এই সমস্ত কার্যক্রম করতে পারছে। সাইদুরেরা ধনী ব্যাক্তি থাকায় এলাকার কেউ ওদের বিরোদ্ধে ভয়ে কোন কথা বলতে পারে না ।
শুধু তাই নয় সাইদুর একজন জঙ্গীগোষ্ঠীর সদস্য তিনি বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারা কে ব্যহত করার লক্ষে এসমস্ত কাজ করছে। সাইদুরের বিরোদ্ধে অনেক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলেও কোন কাজ হচ্ছে না।
আচিকমিচিক সোসাইটি ওমেন অর্গানাইজেশন এর নির্বাহী পরিচালক সুলেখা
তিনি জানান, সাইদুর রহমানের যে কৃর্তিকান্ড যে কার্যক্রম করছে এতে আমাদের এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হচ্ছে।আমাদের নারী সমাজের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে । আমি মনে করি যে সাইদুর রহমানের কে আইনের আওতায় নিয়ে শাস্তির জন্য প্রশাসনের নিকট আবেদন করছি।
এব্যাপারে সাইদুর রহমানের বাড়ীতে তার সাক্ষাতকার নিতে গেলে সাংবাদিকের পরিচয় শুনে ক্যামারার সামনে আসেন নি। এবং কী বাড়ীর ভিতর থেকে সাইদুর ও তার পরিবারের লোকজন সাংবাদিকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ।
এব্যাপারে মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) শফিকুল ইসলামের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করে এ বিষয়ে তিনি সাক্ষাতকারে জানান-বিষয়টি আমি জানিনা। কোন অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।
Saturday, July 22, 2017
ধনবাড়ী আবুসিনা ক্লিনিকে ত্রুটিপূর্ণ সিজারে মায়ের মৃত্যুর অভিযোগ, মালিক স্টাফ পলাতক
ধনবাড়ী (টাঙ্গাইলের) প্রতিনিধি: লাশ পোস্ট মর্টেম হবে, থানা পুলিশের ঝামেলা হবে, জানেনই তো বাঘে ছুঁলে এক ঘা, পুলিশে ছুঁলে ১৮ ঘা, যা হয়েছে ভাগ্যে ছিল, ভাগ্য মেনে নিতে হয়- ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের এমন ভয় ধরানো

কথায় দরিদ্র পরিবার ত্রুটিপূর্ণ সিজারে সদ্য এক মেয়ে সন্তান প্রসব করা সুমি(২৩) নামে মারা যাওয়া মা কে কোন অভিযোগ না করেই দাফন করে ফেলেছে।
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার পৌর শহরে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। জামাত নেতা সাবেক উপজেলা আমির আব্দুর রহমান পরিচালিত স্থানীয় আবুসিনা নামের ক্লিনিকে বৃহস্পতিবার বিকেলে সুমি নামের ওই মায়ের সিজারে মেয়ে সন্তান জন্ম নেয়।কিন্তু ত্রুটিপূর্ণ ওই সিজারে প্রচুর রক্ত ক্ষরণে মা সুমির মৃত্যু হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সুমি পৌর এলাকার বন্দ টাকুরিয়া গ্রামের দিন মজুর জনৈক জহিরুল ইসলামের স্ত্রী। জহিরুল বিয়ে করার পর থেকে পৌর এলাকার ৭ নং ওয়ার্ডের ছত্রপুর গ্রামের শ্বশুর সহিদ মিস্ত্রির বাড়িতে ঘর জামাই থেকে দিন মজুরি করেন।তাদের ঘরে পঞ্চম শ্রেণি পড়–য়া অপর একটি মেয়েও আছে।
জানা গেছে, দ্বিতীয় সন্তান প্রসবের পূর্বে গত বৃহস্পতিবার ধনবাড়ী পৌর শহরস্থ জামাত নেতা আ. রহমান পরিচালিত আবুসিনা ক্লিনিকে ১০ হাজার টাকায় চুক্তিতে ডা. আব্দুর রহিম নামের গাইনী বিভাগের এক প্রশিক্ষিত চিকিৎসকে দিয়ে সিজার করানোর কথা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ কুমিল্লার দাউ্দকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত মধুপুর উপজেলার বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম খোকন নামের এনেসথেসিয়া (অজ্ঞানের ডাক্তার) দিয়ে সিজার করানো হয়। সিজার ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় সুমির প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে থাকে। অবস্থা খারাপ দেখে রাতে ধনবাড়ী থেকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পথে সুমির মৃত্যু হয়।এ ব্যাপারে গাইনী বিশেষজ্ঞ ডা আব্দুর রহিম জানান, তাকে দিয়ে করানোর কথা হয়েছিল কিন্তু পরে ক্লিনিক থেকে যোগাযোগ করা হয়নি।
শুক্রবার সুমির লাশ দাফন করা হয়েছে। শিশুটিকে পাশের এক নি:সন্তান পরিবারের কাছে দত্তক দেয়া হয়েছে। এলাকার ইব্রাহিম নামের একজন জানান, তার ভাই কলেজ শিক্ষক হাবিবুর রহমানের মধ্যস্থতায় ক্লিনিকের পক্ষ থেকে কিছু আর্থিক সহায়তা প্রদানের শর্তে লাশ দাফনের ব্যবস্থা হয়েছে।
সুমি পৌর এলাকার বন্দ টাকুরিয়া গ্রামের দিন মজুর জনৈক জহিরুল ইসলামের স্ত্রী। জহিরুল বিয়ে করার পর থেকে পৌর এলাকার ৭ নং ওয়ার্ডের ছত্রপুর গ্রামের শ্বশুর সহিদ মিস্ত্রির বাড়িতে ঘর জামাই থেকে দিন মজুরি করেন।তাদের ঘরে পঞ্চম শ্রেণি পড়–য়া অপর একটি মেয়েও আছে।
জানা গেছে, দ্বিতীয় সন্তান প্রসবের পূর্বে গত বৃহস্পতিবার ধনবাড়ী পৌর শহরস্থ জামাত নেতা আ. রহমান পরিচালিত আবুসিনা ক্লিনিকে ১০ হাজার টাকায় চুক্তিতে ডা. আব্দুর রহিম নামের গাইনী বিভাগের এক প্রশিক্ষিত চিকিৎসকে দিয়ে সিজার করানোর কথা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ কুমিল্লার দাউ্দকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত মধুপুর উপজেলার বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম খোকন নামের এনেসথেসিয়া (অজ্ঞানের ডাক্তার) দিয়ে সিজার করানো হয়। সিজার ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় সুমির প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে থাকে। অবস্থা খারাপ দেখে রাতে ধনবাড়ী থেকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পথে সুমির মৃত্যু হয়।এ ব্যাপারে গাইনী বিশেষজ্ঞ ডা আব্দুর রহিম জানান, তাকে দিয়ে করানোর কথা হয়েছিল কিন্তু পরে ক্লিনিক থেকে যোগাযোগ করা হয়নি।

শুক্রবার সুমির লাশ দাফন করা হয়েছে। শিশুটিকে পাশের এক নি:সন্তান পরিবারের কাছে দত্তক দেয়া হয়েছে। এলাকার ইব্রাহিম নামের একজন জানান, তার ভাই কলেজ শিক্ষক হাবিবুর রহমানের মধ্যস্থতায় ক্লিনিকের পক্ষ থেকে কিছু আর্থিক সহায়তা প্রদানের শর্তে লাশ দাফনের ব্যবস্থা হয়েছে।
নালিতাবাড়ীতে ভ্রাম্যমান আদালতের চার ব্যবসায়ীর জরিমানা
এস,এ সুজন শাহী, ঝিনাইগাতী ঃ

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় পঁচা শুটকি, জাটকা ও কারেন্ট জাল বিক্রির অপরাধে চার ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমান আদালত অর্থদ- জরিমানা করেছে। ২২ জুলাই শনিবার দুপুরে পৌর শহরের দক্ষিণ বাজারের শহরের দক্ষিণ বাজারের শুটকি মহল এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্টেট তরফদার সোহলে রহমান।
উপজেলা ইউএনও কার্য্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পৌর শহরের দক্ষিণ বাজারের শুটকি মহল এলাকায় পঁচা শুটকি বিক্রি ও সংরক্ষণের অপরাধে শহিদুল ইসলাম নামে এক শুটকি বিক্রেতাকে ৫হাজার টাকা, জাহিদকে ১হাজার টাকা ও জাটকা বিক্রির অপরাধে জুয়েল মিয়াকে ২ হাজার টাকা এবং কারেন্ট
জাল বিক্রির অপরাধে আসাদুজ্জামান নামে এক কারেন্ট জাল বিক্রেতাকে ১হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় শহিদুল ইসলামের ৪টি পঁচা শুটকির ড্রাম ও আসাদুজ্জামানের ৪৫পিস কারেন্ট জাল নষ্ট করা হয়। ভোক্তা সংরক্ষণ ও মৎস সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর অধীনে এ অর্থদ- দেওয়া হয়। এসময় উপজেলা মৎস কর্মকর্তা (অতিঃদাঃ) দেবযানী ভৌমিক,থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) আব্দুস সবুরসহ অন্যান্য কর্র্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্টেট তরফদার সোহলে রহমান ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
Subscribe to:
Posts (Atom)
