ম মুক্তির সংগ্রাম। "মনে রেখ আমি যদি হুকুম দিতে নাও পারি,তোমরা তোমাদের যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থেকো,শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে।" এই ভাষণ শোনার পর থেকে তার মনে মুক্তি যুদ্ধের চেতনার দাবানল জ্বলে উঠতে থাকে।যতটুকু মনে পড়ে,১৫ অথবা ১৬ই মার্চ স্কুল থেকে নিজ বাড়িতে এসে, তারপর থেকে মুক্তি যুদ্ধে সংগঠিত হওয়ার জন্য পাঁয়ে হেটে হেটে অনেক প্রত্যন্ত এলাকায় যোগাযোগ করতে থাকেন।২৫ শে মার্চ সেই কালোরাত্রির পর থেকে যখন ই.পি.আর,পুলিশ,ইষ্টবেঙ্গল রেজিমেন্টে কর্মরত বাঙালি ভাইয়েরা ক্যান্টনমেন্ট থেকে অস্ত্র গোলাবারুদ নিয়ে পালিয়ে তাদের প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকায় এসে অবস্থান নেন,তখন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কিছুদিন তাদের সাথে থাকেন, তার পর তাদের কাছ থেকে ট্রেনিং নিয়ে তাদের দেওয়া অস্ত্র নিয়ে সরাসরি যুদ্ধে যোগদান করেন।আরামকে হারাম করে, নিজের জীবনকে বাজি রেখে, মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন। ৯ মাস যুদ্ধ করার পর তারা দেশকে স্বাধীন করেন।১৯৭৯-৮০ সেশনে গোপালপুর কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জি,এস, পদে ৪ তৃতীয় অংশ ভোটপেয়ে বিজয়ী হয়ে নির্বাচিত জি.এস হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।১৯৮৩ সালে বৃহত্তর ৮নং আউশনারা ইউনিয়নের নির্বাচনে ইউ.পি সদস্য পদে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ ট্রাক ড্রাইভারস ইউনিয়ন মোটেরবাজার শাখা কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করে একটানা সুদীর্ঘ ১১ বছর ৪মাস সগৌরবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিভিন্ন শ্রমিক ফেডারেশনের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন ও এখনো আছেন। প্রায় ২৪ বছর যাবত মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী পরিষদের সম্মানিত সদস্য তিনি। ২০১০ সালে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নির্বাচনে টাংগাইল জেলা ইউনিট কমান্ডের ফজলু -কালাম পরিষদে পদ্ম ফুল মার্কায় তিনি বিপুল ভোটে কার্যকরী সম্মানিত ১ নং সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সমপৃক্ত ছিলেন, বর্তমানেও রয়েছেন। তিনি কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। তিনি কখনো বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেন নাই। রাজনীতিতে কোন দিন নীতি হারান নাই ফাঁকি দেন নাই। তিনি একজন সফল ছাত্রনেতা, শ্রমিকনেতা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে নিবেদিত একজন কর্মী।রাজনৈতিক ধারাবাহিক পরিক্রমায় তিনি ইউনিয়নবাসীকে সেবা দিতে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী। বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুস সালাম জানান, ইনশাআল্লাহ দল তাকে মনোনীত করলে, আমি শতভাগ আশাবাদী জনগণ আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবে।আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার সময়ের আহব্বানে 'গ্রাম হবে শহর' এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে ধনবাড়ি-মধুপুরবাসীর প্রিয় মানুষ মাননীয় কৃষিমন্ত্রী ড.মো আব্দুর রাজ্জাক এম, পি মহোদয়ের হাতকে আরও শক্তিশালী ও বেগবান করার লক্ষ্যে এবং তারই ধারাবাহিক পরিক্রমায়, ৮নং আউশনারা ইউনিয়নকে দুর্নীতিমুক্ত ও মানসম্মত এবং পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলব, ইনশাআল্লাহ। জয় বাংল, জয় বঙ্গবন্ধু। মোটের বাজারে গতকাল শুক্রবার একান্ত সাক্ষাৎ কালে বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ আব্দুস সালাম জানান, দেশ শত্রুকে রুখতে যেমন ৭১'এর স্বাধীনতা অর্জনে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছি। তেমনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আউশনারা ইউনিয়নের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ইউপিবাসীকে সাথে নিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরিকর। এ সময় উপস্থিত থেকে মধুপুর কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও মোটের বাজার শেখ রাসেল স্মৃতি সংঘের সাবেক সাধারন সম্পাদক যুবলীগ নেতা আবুবকর সিদ্দিক রুবেল ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ জানান, আমরা দূর্দিনে বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ আব্দুস সালামকে কাছে পাই। তিনি আমাদের ভরসার প্রতীক। সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন আউশনারা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নে
Saturday, July 17, 2021
মধুপুরে আউশনারা ইউপিতে জনপ্রিয়তার শীর্ষে বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ আব্দুস সালাম
ম মুক্তির সংগ্রাম। "মনে রেখ আমি যদি হুকুম দিতে নাও পারি,তোমরা তোমাদের যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থেকো,শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে।" এই ভাষণ শোনার পর থেকে তার মনে মুক্তি যুদ্ধের চেতনার দাবানল জ্বলে উঠতে থাকে।যতটুকু মনে পড়ে,১৫ অথবা ১৬ই মার্চ স্কুল থেকে নিজ বাড়িতে এসে, তারপর থেকে মুক্তি যুদ্ধে সংগঠিত হওয়ার জন্য পাঁয়ে হেটে হেটে অনেক প্রত্যন্ত এলাকায় যোগাযোগ করতে থাকেন।২৫ শে মার্চ সেই কালোরাত্রির পর থেকে যখন ই.পি.আর,পুলিশ,ইষ্টবেঙ্গল রেজিমেন্টে কর্মরত বাঙালি ভাইয়েরা ক্যান্টনমেন্ট থেকে অস্ত্র গোলাবারুদ নিয়ে পালিয়ে তাদের প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকায় এসে অবস্থান নেন,তখন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কিছুদিন তাদের সাথে থাকেন, তার পর তাদের কাছ থেকে ট্রেনিং নিয়ে তাদের দেওয়া অস্ত্র নিয়ে সরাসরি যুদ্ধে যোগদান করেন।আরামকে হারাম করে, নিজের জীবনকে বাজি রেখে, মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন। ৯ মাস যুদ্ধ করার পর তারা দেশকে স্বাধীন করেন।১৯৭৯-৮০ সেশনে গোপালপুর কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জি,এস, পদে ৪ তৃতীয় অংশ ভোটপেয়ে বিজয়ী হয়ে নির্বাচিত জি.এস হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।১৯৮৩ সালে বৃহত্তর ৮নং আউশনারা ইউনিয়নের নির্বাচনে ইউ.পি সদস্য পদে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ ট্রাক ড্রাইভারস ইউনিয়ন মোটেরবাজার শাখা কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করে একটানা সুদীর্ঘ ১১ বছর ৪মাস সগৌরবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিভিন্ন শ্রমিক ফেডারেশনের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন ও এখনো আছেন। প্রায় ২৪ বছর যাবত মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী পরিষদের সম্মানিত সদস্য তিনি। ২০১০ সালে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নির্বাচনে টাংগাইল জেলা ইউনিট কমান্ডের ফজলু -কালাম পরিষদে পদ্ম ফুল মার্কায় তিনি বিপুল ভোটে কার্যকরী সম্মানিত ১ নং সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সমপৃক্ত ছিলেন, বর্তমানেও রয়েছেন। তিনি কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। তিনি কখনো বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেন নাই। রাজনীতিতে কোন দিন নীতি হারান নাই ফাঁকি দেন নাই। তিনি একজন সফল ছাত্রনেতা, শ্রমিকনেতা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে নিবেদিত একজন কর্মী।রাজনৈতিক ধারাবাহিক পরিক্রমায় তিনি ইউনিয়নবাসীকে সেবা দিতে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী। বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুস সালাম জানান, ইনশাআল্লাহ দল তাকে মনোনীত করলে, আমি শতভাগ আশাবাদী জনগণ আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবে।আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার সময়ের আহব্বানে 'গ্রাম হবে শহর' এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে ধনবাড়ি-মধুপুরবাসীর প্রিয় মানুষ মাননীয় কৃষিমন্ত্রী ড.মো আব্দুর রাজ্জাক এম, পি মহোদয়ের হাতকে আরও শক্তিশালী ও বেগবান করার লক্ষ্যে এবং তারই ধারাবাহিক পরিক্রমায়, ৮নং আউশনারা ইউনিয়নকে দুর্নীতিমুক্ত ও মানসম্মত এবং পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলব, ইনশাআল্লাহ। জয় বাংল, জয় বঙ্গবন্ধু। মোটের বাজারে গতকাল শুক্রবার একান্ত সাক্ষাৎ কালে বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ আব্দুস সালাম জানান, দেশ শত্রুকে রুখতে যেমন ৭১'এর স্বাধীনতা অর্জনে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছি। তেমনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আউশনারা ইউনিয়নের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ইউপিবাসীকে সাথে নিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরিকর। এ সময় উপস্থিত থেকে মধুপুর কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও মোটের বাজার শেখ রাসেল স্মৃতি সংঘের সাবেক সাধারন সম্পাদক যুবলীগ নেতা আবুবকর সিদ্দিক রুবেল ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ জানান, আমরা দূর্দিনে বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ আব্দুস সালামকে কাছে পাই। তিনি আমাদের ভরসার প্রতীক। সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন আউশনারা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নে
Subscribe to:
Posts (Atom)
