Saturday, July 17, 2021

মধুপুরে আউশনারা ইউপিতে জনপ্রিয়তার শীর্ষে বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ আব্দুস সালাম


নিজস্ব প্রতিবেদক টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলার আউশনারা ইউপিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থীদের ভীড়ে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ আব্দুস সালাম। তার অক্লান্ত পরিশ্রম ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মধুপুরের আউশনারা ইউপিতে কান্ডারী হিসাবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করা ও সহযোগী সংগঠনকে সাথে নিয়ে আউশনারা ইউপিকে একটি মডেল ইউনিয়ন গড়ার লক্ষ্যে অবিরাম ছুটে চলছেন তিনি। দুঃখ দূর্দশাগ্রস্ত মানুষের বন্ধু হিসাবে জনপ্রিয় ও আস্থাভাজন হিসাবে বেশ সুপরিচিতি লাভ করেছেন তিনি। সরেজমিনে আউশনারা ইউপির বিভিন্ন পেশাজীবি ব্যক্তিবর্গ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ব্যক্তিবর্গের সাথে আলাপকালে জানান, বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ আব্দুস সালাম একজন সফল ও প্রকৃত জনসেবক। তার বিকল্প এ ইউপিতে খুব কমই দেখা যায়। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন দিলে তাকেই দেয়া উচিত। কেননা, তিনি খেটে খাওয়া মানুষের কষ্টের ভাষা বোঝেন। আউশনার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের ধারণা, করোণার মহামারিতে ইউপি নির্বাচন প্রক্রিয়া সাময়িক থমকে গেলেও কিছুটা স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে একটা সময় হয়তো ইউপি নির্বাচন সম্পন্ন হবে। আর এজন্য আমরা দলের কাছে বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ আব্দুস সালাম ভাইয়ের জন্য দলীয় মনোনয়ন আশা করছি। জানা যায়, জন্মসূত্রে আউশনারা ইউনিয়নের আউশনারা গ্রামের একজন মধ্যবিত্ত কৃষকের সন্তান। তিনি ছোটবেলা হতেই ছাত্র রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৬৮ সনে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র থাকাকালীন ঘাটাইল থানাধীন পাকুটিয়া পাবলিক হাই স্কুল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ঘাটাইল থানা ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন।১৯৭১ সালে তিনি এস.এস.সি পরীক্ষার্থী ছিলেন।ঐ সময় যখন ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙ্গালী জাতির উদ্দ্যেশ্যে ঐতিহাসিক ভাষণের আয়োজন করেন, তখন তা জনসমুদ্রে রূপ নেয়।সেই ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের জনসভায় তিনি সহ ঘাটাইলের কয়েকজন ছাত্রনেতা যোগদান করেছিলেন। সেদিন বঙ্গবন্ধু বজ্রকন্ঠ ঘোষনা করেছিলেন, "এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রা

ম মুক্তির সংগ্রাম। "মনে রেখ আমি যদি হুকুম দিতে নাও পারি,তোমরা তোমাদের যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থেকো,শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে।" এই ভাষণ শোনার পর থেকে তার মনে মুক্তি যুদ্ধের চেতনার দাবানল জ্বলে উঠতে থাকে।যতটুকু মনে পড়ে,১৫ অথবা ১৬ই মার্চ স্কুল থেকে নিজ বাড়িতে এসে, তারপর থেকে মুক্তি যুদ্ধে সংগঠিত হওয়ার জন্য পাঁয়ে হেটে হেটে অনেক প্রত্যন্ত এলাকায় যোগাযোগ করতে থাকেন।২৫ শে মার্চ সেই কালোরাত্রির পর থেকে যখন ই.পি.আর,পুলিশ,ইষ্টবেঙ্গল রেজিমেন্টে কর্মরত বাঙালি ভাইয়েরা ক্যান্টনমেন্ট থেকে অস্ত্র গোলাবারুদ নিয়ে পালিয়ে তাদের প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকায় এসে অবস্থান নেন,তখন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কিছুদিন তাদের সাথে থাকেন, তার পর তাদের কাছ থেকে ট্রেনিং নিয়ে তাদের দেওয়া অস্ত্র নিয়ে সরাসরি যুদ্ধে যোগদান করেন।আরামকে হারাম করে, নিজের জীবনকে বাজি রেখে, মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন। ৯ মাস যুদ্ধ করার পর তারা দেশকে স্বাধীন করেন।১৯৭৯-৮০ সেশনে গোপালপুর কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জি,এস, পদে ৪ তৃতীয় অংশ ভোটপেয়ে বিজয়ী হয়ে নির্বাচিত জি.এস হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।১৯৮৩ সালে বৃহত্তর ৮নং আউশনারা ইউনিয়নের নির্বাচনে ইউ.পি সদস্য পদে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ ট্রাক ড্রাইভারস ইউনিয়ন মোটেরবাজার শাখা কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করে একটানা সুদীর্ঘ ১১ বছর ৪মাস সগৌরবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিভিন্ন শ্রমিক ফেডারেশনের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন ও এখনো আছেন। প্রায় ২৪ বছর যাবত মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী পরিষদের সম্মানিত সদস্য তিনি। ২০১০ সালে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নির্বাচনে টাংগাইল জেলা ইউনিট কমান্ডের ফজলু -কালাম পরিষদে পদ্ম ফুল মার্কায় তিনি বিপুল ভোটে কার্যকরী সম্মানিত ১ নং সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সমপৃক্ত ছিলেন, বর্তমানেও রয়েছেন। তিনি কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। তিনি কখনো বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেন নাই। রাজনীতিতে কোন দিন নীতি হারান নাই ফাঁকি দেন নাই। তিনি একজন সফল ছাত্রনেতা, শ্রমিকনেতা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে নিবেদিত একজন কর্মী।রাজনৈতিক ধারাবাহিক পরিক্রমায় তিনি ইউনিয়নবাসীকে সেবা দিতে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী। বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুস সালাম জানান, ইনশাআল্লাহ দল তাকে মনোনীত করলে, আমি শতভাগ আশাবাদী জনগণ আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবে।আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার সময়ের আহব্বানে 'গ্রাম হবে শহর' এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে ধনবাড়ি-মধুপুরবাসীর প্রিয় মানুষ মাননীয় কৃষিমন্ত্রী ড.মো আব্দুর রাজ্জাক এম, পি মহোদয়ের হাতকে আরও শক্তিশালী ও বেগবান করার লক্ষ্যে এবং তারই ধারাবাহিক পরিক্রমায়, ৮নং আউশনারা ইউনিয়নকে দুর্নীতিমুক্ত ও মানসম্মত এবং পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলব, ইনশাআল্লাহ। জয় বাংল, জয় বঙ্গবন্ধু। মোটের বাজারে গতকাল শুক্রবার একান্ত সাক্ষাৎ কালে বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ আব্দুস সালাম জানান, দেশ শত্রুকে রুখতে যেমন ৭১'এর স্বাধীনতা অর্জনে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছি। তেমনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আউশনারা ইউনিয়নের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ইউপিবাসীকে সাথে নিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরিকর। এ সময় উপস্থিত থেকে মধুপুর কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও মোটের বাজার শেখ রাসেল স্মৃতি সংঘের সাবেক সাধারন সম্পাদক যুবলীগ নেতা আবুবকর সিদ্দিক রুবেল ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ জানান, আমরা দূর্দিনে বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ আব্দুস সালামকে কাছে পাই। তিনি আমাদের ভরসার প্রতীক। সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন আউশনারা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নে