Sunday, July 23, 2017

টাঙ্গাইলের মধুপুরের উকিল সাইদুর রহমানের রাষ্টবিরোধী কার্যক্রম এলাকাবাসীর গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবী


ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইলের মধুপুরে  নামধারী  উকিল সাইদুর রহমানের বিরোদ্ধে রাষ্টবিরোধী কার্যক্রমের অভিযোগ তুলে  গ্রেপ্তারের  দাবী  করছে  এলাকাবাসী।
জানাযায়, উপজেলার শোলাকুড়ি ইউনিয়নের হরিনধরা গ্রামের রেহান আলীর ছেলে নামধারী
,গাজা,ফেন্সিডিল, ইয়াবার  ব্যবস্যা করছে। প্রবাসে লোক নেওয়ার নাম করে দেশের বাইরে বিক্রি করে দেয়। আবার বিভিন্ন মহিলাদের কে দিয়ে রমরমা দেউকিল সাইদুর রহমান  রাষ্টবিরোধী কার্যক্রম করায় এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হচ্ছে ।  তাই  তার বিরোদ্ধে লিখিত পোষ্টার মধুপুর পৌর শহরের মধুপুর রাণী ভবানী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়,মধুপুর কলেজ গেইটে  সহ বিভিন্ন স্কুল, কলেজের গেইটে রাস্তার গাছে ও বৈদ্যুতিক খুটির সাথে পেষ্টারিং  লাগিয়ে এর মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে  নামধারী উকিল সাইদুর এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছে।
লিখিত পোষ্টারে ও এলাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায় সাইদুর রহমান দীর্ঘদিন যাবৎ উকালতি পেশার পরিচয় দিয়ে হেরোইনহ ব্যবস্যা করে যাচ্ছে।
নামধারী উকিল সাইদুর অনেক মহিলা ও কলেজ পড়ুয়া ছাত্রীদের সাথে অবৈধ যৌন সম্পর্ক করে অনেকের সংসার জীবন নষ্ট  করেছে  বলে  এলাকাবাসী আভিযোগ করেন।
এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে সাইদুর তার মামাতো ভাই ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার কামারিয়ার আক্রাম হোসেন এর স্ত্রী গ্রাম্য সাস্থ্যকর্মী নূরজাহান বেগম এর  স্বামী বিদেশে থাকায় সাইদুর তার সাথে পরকীয়া সম্পর্ক করেন।এই সম্পর্কের সুবাধে তাকে দিয়ে সকল অনৈক কর্মকান্ড করায়।
স্থানীয় সূত্রে ও পোষ্টারের লেখা থেকে জানা যায়, আবৈধ যৌন মিলিন করার সময় মুক্তাগাছার কোন এক বাড়ীতে হেরোইন ও ইয়াবা সহ  ঐ এলাকার কয়েক ব্যাক্তি হাতেনাতে ধরে ফেলে টাকার বিনিময়ে ছেড়ে আসে।
এলাকার কযেক সচেতন ব্যাক্তি ক্যামার  সামনে না এসে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা জানায়, সাইদুর রহমান একজন দালাল ও ইয়াবা ব্যবসায়ী  আমাদের এলাকাটি পাহাড়ি অন্চল থাকায় পুলিশ প্রশাসনের নজরদারি কম। তাই এই সমস্ত কার্যক্রম করতে পারছে। সাইদুরেরা ধনী ব্যাক্তি থাকায় এলাকার কেউ  ওদের বিরোদ্ধে ভয়ে কোন কথা বলতে পারে না ।
শুধু তাই নয় সাইদুর একজন জঙ্গীগোষ্ঠীর সদস্য তিনি বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারা কে ব্যহত করার লক্ষে এসমস্ত কাজ করছে।  সাইদুরের বিরোদ্ধে অনেক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলেও কোন কাজ হচ্ছে না।
আচিকমিচিক সোসাইটি ওমেন অর্গানাইজেশন এর নির্বাহী পরিচালক সুলেখা
তিনি জানান, সাইদুর রহমানের যে  কৃর্তিকান্ড যে কার্যক্রম করছে এতে আমাদের এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হচ্ছে।আমাদের নারী সমাজের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে । আমি মনে করি যে সাইদুর রহমানের কে আইনের আওতায় নিয়ে শাস্তির জন্য প্রশাসনের নিকট আবেদন করছি।
এব্যাপারে সাইদুর রহমানের বাড়ীতে তার সাক্ষাতকার নিতে গেলে  সাংবাদিকের পরিচয় শুনে ক্যামারার সামনে আসেন নি। এবং কী বাড়ীর ভিতর থেকে সাইদুর ও তার পরিবারের লোকজন সাংবাদিকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ।
এব্যাপারে মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) শফিকুল ইসলামের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করে এ বিষয়ে তিনি সাক্ষাতকারে জানান-বিষয়টি আমি জানিনা। কোন অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।

Saturday, July 22, 2017

ধনবাড়ী আবুসিনা ক্লিনিকে ত্রুটিপূর্ণ সিজারে মায়ের মৃত্যুর অভিযোগ, মালিক স্টাফ পলাতক

ধনবাড়ী (টাঙ্গাইলের) প্রতিনিধি: লাশ পোস্ট মর্টেম হবে, থানা পুলিশের ঝামেলা হবে, জানেনই তো বাঘে ছুঁলে এক ঘা, পুলিশে ছুঁলে ১৮ ঘা, যা হয়েছে ভাগ্যে ছিল, ভাগ্য মেনে নিতে হয়- ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের এমন ভয় ধরানো
কথায় দরিদ্র পরিবার ত্রুটিপূর্ণ সিজারে সদ্য এক মেয়ে সন্তান প্রসব করা সুমি(২৩) নামে মারা যাওয়া মা কে কোন অভিযোগ না করেই দাফন করে ফেলেছে।
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার পৌর শহরে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। জামাত নেতা সাবেক উপজেলা আমির আব্দুর রহমান পরিচালিত স্থানীয় আবুসিনা নামের ক্লিনিকে বৃহস্পতিবার বিকেলে সুমি নামের ওই মায়ের সিজারে মেয়ে সন্তান জন্ম নেয়।কিন্তু ত্রুটিপূর্ণ ওই সিজারে প্রচুর রক্ত ক্ষরণে মা সুমির মৃত্যু হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সুমি পৌর এলাকার বন্দ টাকুরিয়া গ্রামের দিন মজুর জনৈক জহিরুল ইসলামের স্ত্রী। জহিরুল বিয়ে করার পর থেকে পৌর এলাকার ৭ নং ওয়ার্ডের ছত্রপুর গ্রামের শ্বশুর সহিদ মিস্ত্রির বাড়িতে ঘর জামাই থেকে দিন মজুরি করেন।তাদের ঘরে পঞ্চম শ্রেণি পড়–য়া অপর একটি মেয়েও আছে।
জানা গেছে, দ্বিতীয় সন্তান প্রসবের পূর্বে গত বৃহস্পতিবার ধনবাড়ী পৌর শহরস্থ জামাত নেতা আ. রহমান পরিচালিত আবুসিনা ক্লিনিকে ১০ হাজার টাকায় চুক্তিতে ডা. আব্দুর রহিম নামের গাইনী বিভাগের এক প্রশিক্ষিত চিকিৎসকে দিয়ে সিজার করানোর কথা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ কুমিল্লার দাউ্দকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত মধুপুর উপজেলার বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম খোকন নামের এনেসথেসিয়া (অজ্ঞানের ডাক্তার) দিয়ে সিজার করানো হয়। সিজার ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় সুমির প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে থাকে। অবস্থা খারাপ দেখে রাতে ধনবাড়ী থেকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পথে সুমির মৃত্যু হয়।এ ব্যাপারে গাইনী বিশেষজ্ঞ ডা আব্দুর রহিম জানান, তাকে দিয়ে করানোর কথা হয়েছিল কিন্তু পরে ক্লিনিক থেকে যোগাযোগ করা হয়নি।
শুক্রবার সুমির লাশ দাফন করা হয়েছে। শিশুটিকে পাশের এক নি:সন্তান পরিবারের কাছে দত্তক দেয়া হয়েছে। এলাকার ইব্রাহিম নামের একজন জানান, তার ভাই কলেজ শিক্ষক হাবিবুর রহমানের মধ্যস্থতায় ক্লিনিকের পক্ষ থেকে কিছু আর্থিক সহায়তা প্রদানের শর্তে লাশ দাফনের ব্যবস্থা হয়েছে।

নালিতাবাড়ীতে ভ্রাম্যমান আদালতের চার ব্যবসায়ীর জরিমানা

 এস,এ সুজন শাহী, ঝিনাইগাতী ঃ

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় পঁচা শুটকি, জাটকা ও কারেন্ট জাল বিক্রির অপরাধে চার ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমান আদালত অর্থদ- জরিমানা করেছে। ২২ জুলাই শনিবার দুপুরে পৌর শহরের দক্ষিণ বাজারের শহরের দক্ষিণ বাজারের শুটকি মহল এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্টেট তরফদার সোহলে রহমান।
উপজেলা ইউএনও কার্য্যালয়  সূত্রে জানা গেছে, পৌর শহরের দক্ষিণ বাজারের শুটকি মহল এলাকায় পঁচা শুটকি বিক্রি ও সংরক্ষণের অপরাধে শহিদুল ইসলাম নামে এক শুটকি বিক্রেতাকে ৫হাজার টাকা, জাহিদকে ১হাজার টাকা ও জাটকা বিক্রির অপরাধে জুয়েল মিয়াকে ২ হাজার টাকা এবং কারেন্ট
জাল বিক্রির অপরাধে আসাদুজ্জামান নামে এক কারেন্ট জাল বিক্রেতাকে ১হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় শহিদুল ইসলামের ৪টি পঁচা শুটকির ড্রাম ও আসাদুজ্জামানের ৪৫পিস কারেন্ট জাল নষ্ট করা হয়। ভোক্তা সংরক্ষণ ও মৎস সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর অধীনে এ অর্থদ- দেওয়া হয়। এসময় উপজেলা মৎস কর্মকর্তা (অতিঃদাঃ) দেবযানী ভৌমিক,থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) আব্দুস সবুরসহ অন্যান্য কর্র্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্টেট তরফদার সোহলে রহমান ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

Tuesday, May 23, 2017

চুলের যত্নে আদিকাল থেকে পেঁয়াজের রস ব্যবহার হয়ে আসছে। নতুন চুল গজানো থেকে শুরু করে চুল পড়া রোধ করতে ব্যবহৃত হয় এই পেঁয়াজের রস। অনেকেই পেঁয়াজের রসের সঠিক ব্যবহার জানেন না। পেঁয়াজের রসের কার্যকরী কিছু ব্যবহার নিয়ে আজকের এই ফিচার।
 
১। পেঁয়াজের রস

- বিজ্ঞাপন -
একটি পেঁয়াজ কুচি করে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে রস বের করে নিন। পেঁয়াজের রসটি চুলে ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। এটি চুলে ৩০-৪৫ মিনিটে রাখুন। তারপর শ্যাম্পু করে ফেলুন। সপ্তাহে ৩ বার এটি ব্যবহার করুন। দুয়েক মাসের মধ্যে আপনি পরিবর্তন দেখতে পাবেন।

আপনার ব্লাড গ্রুপ কি A, B বা AB? তাহলে এখই সাবধান হউন!

আপনার ব্লাড গ্রুপ কি A, B বা AB? তাহলে এখই সাবধান হউন!

আপনার ব্লাড গ্রুপ কি A, B বা AB? তাহলে এখই সাবধান হউন! ১০ লাখের বেশি সংখ্যক মানুষের উপর করা একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যাঁদের ব্লাড গ্রুপ এ, বি অথবা এবি তাঁদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই বেশি। বিজ্ঞানীদের মত এ, বি অথবা এবি ব্লাড গ্রুপে বেশি পরিমাণে ব্লাড-ক্লটিং প্রোটিন থাকার ফলে হৃদরোগের শঙ্কা বেড়ে যায়।

নেদারল্যান্ডস-এর ইউনিভার্সিটি মেডিকাল সেন্টার গ্রনিনগেন-এর অধ্যাপক টেসা কোল জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে হৃদরোগের থেকে বাঁচতে হলে বিশেষ নজর দিতে হবে ব্লাড গ্রুপে।

হারিয়ে যাচ্ছে গরুর গাড়ি

ওঁকি গাড়িয়াল ভাই- কত রব আমি পন্থের পানে চাইয়া রে’- গ্রাম-বাংলার প্রাণপ্রিয় এই গানটি যেমন এখন আর শোনা যায় না, তেমনি গ্রাম-বাংলার একটি জনপ্রিয় যান গরুর গাড়িও এখন আর আগের মত চোখে পড়ে না। হারিয়ে যাচ্ছে গাড়িয়াল পেশাও। এখন আর গ্রাম-গঞ্জে আগের মতো চোখে পড়ে না গরুর গাড়ি। যা এক সময় উত্তর জনপদের বিভিন্ন উপজেলায় ঐতিহ্যবাহী গরুর গাড়ি বাহনের সরগরম অস্তিত্ব ছিল। ছিল সর্বত্র এই গরুর গাড়ির কদর। কি বিয়ে, কি অন্য কোন উৎসব- গরুর গাড়ি ছাড়া যেন কল্পনাই করা যেত না।

 
দিনাজপুরেও এক সময় গরুর গাড়ি চলত প্রতিনিয়ত। কিন্তু, এখন প্রত্যন্ত এই জনপদেও হারিয়ে যাচ্ছে গরুর গাড়ি। মাঝে-মধ্যে গ্রামাঞ্চলগুলোতে দু-একটি গরুর গাড়ি চোখে পড়ে। কিন্তু সেগুলোর অবস্থাও জরাজীর্ণ। তাহলে কি আধুনিক সভ্যতায় আমরা আমাদের ঐতিহ্যগুলো  হারিয়ে যেতে বসেছি? আজ শহরের ছেলে-মেয়েরা তো দূরের কথা, গ্রামের ছেলে-মেয়েরাও গরুর গাড়ি যানবাহনটির সাথে পরিচিত নয় খুব একটা। আগে অনেকেরই গরুর গাড়ি ছিল উপার্জনের একমাত্র অবলম্বন।
 মোবাইল ফোন টেলিযোগাযোগের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী আবিস্কার।নব্বই দশকের দিকে সীমিত পর্যায়ে এর ব্যবহার আমাদের দেশে শুরু হলেও মোবাইল ফোনের কার্যকারী উপযোগীতা কারনে আজতো দেশের প্রত্যান্ত অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়েছে। দৈন্যন্দিন কর্মকান্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবে দেশে লাখ লাখ মানুষ মোবাইল ফোনে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে। অথচ সভ্যতার এই বৈপ্লবিক প্রযুক্তির সুফল ভোগের পাশা পাশি আমরা যে এর বাইপ্রডাক্ট হিসাবে মারাতœক স্বাস্থ্য ঝুকিও বহন করে চলছে। সে বিষয়ে আমরা অনেকেই সচেতন নই।

বৈজ্ঞানিক গবেশনায় জানা গেছে, মোবাইল ফোন তেজস্ক্রিয়তা বিকিকরন করে।যা মানব দেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর ।মোবাইল ফোন ব্যবহার কালে এর মাইক্রোওয়েব দ্রুতগতিতে মস্তিস্কে আঘাত হানে।এর থেকে বিকিরিত তেজস্ক্রিয়তার কারণে মানব দেহের অন্যতম প্রয়োজনীয় উপাদান রক্তের লোহিত কনিকার প্রাচীর ক্ষয় হয়ে যায়।